সুনির্দিষ্ট প্রতিকার(A-Z) #বিশেষ গুরুত্বপূর্ন ধারার বিষয়।

 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার(A-Z) #বিশেষ গুরুত্বপূর্ন ধারার বিষয়।
_____ M A KADER, Lawyer



★আইন ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন 

★বলবৎ করা হয় ১৮৭৭ সালের ১ লা মে

★মোট ধারা ৫৭ টি (২ নং ধারা এবং ৪৫ থেকে ৫১ ধারা বাতিল) 

★সর্বশেষ সংশোধন ২০০৪ সাল

★কার্যকর করা হয় ১ লা জুলাই ২০০৫ সাল

★মোট অধ্যায় ১০টি, খন্ড ৩ টি। 


ধারা-১ঃ সংক্ষিপ্ত শিরোনাম। 

ধারা-২ঃ বাতিল 

ধারা-৩ঃ ব্যাখ্যা অনুচ্ছেদ (বাধ্যবাধকতা,ট্রাষ্ট,ট্রাষ্টী)

ধারা-৪ঃ সংরক্ষণ(৪টি ক্ষেত্রে) 


ধারা-৫ঃ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার যেভাবে প্রদান করা হয়- 

৫ ভাবে দেওয়া যায়-

১.দখল গ্রহণ ও অর্পণ 

২.আদেশমূলক প্রতিকার 

৩.নিষেধমূলক প্রতিকার 

৪.ঘোষণামূলক প্রতিকার 

৫. রিসিভার নিয়োগ। 


ধারা-৬ঃ নিরোধক প্রতিকার/নিবারণমূলক প্রতিকার/প্রতিরোধমূলক/নিষেধমূলক প্রতিকার।


ধারা-৭ঃ দন্ডমূলক আইন বলবতের জন্য এই আইন প্রতিকার মঞ্জুর করে না। 


ধারা-৮ঃ মালিক কর্তৃক সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার।( ১২ বছরের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে, রায়ের পর আপিল /রিভিউ করা যাবে, কোর্ট ফি ২ ধরনের -১.নির্ধারিত ২. মূল্যানুপাতিক।

#স্থাবর সম্পত্তিতে কোর্ট ফি ২%

#অর্থ মোকাদ্দমায় কোর্ট ফি ২.৫%


ধারা-৯ঃ স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যাক্তি কতৃক মামলা/বেআইনীভাবে দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক দখল পুনরুদ্ধার। ( ৬মাসের মধ্যে,মূল্যানুপাতিক,সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না,আপিল/রিভিউ করা যাবে না তবে রিভিশন করা যাবে হাইকোর্ট বিভাগে)


ধারা-১০ঃ সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার -

৫ ধরনের ব্যক্তি ১০ ধারার অধীনে মামলা করতে পারবেন -

ক)মালিক খ)জিম্মাদার গ)জামিনদার ঘ)বন্ধকদাতা ঙ)হারানো পণ্য খুঁজে পেয়েছে এমন ব্যক্তি। 


ধারা-১১ঃ তাৎক্ষনিক/আশু দখলের অধিকারী ব্যক্তি 

(৪ টি ক্ষেত্রে এই ধারায় সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে/মঞ্জুর করতে পারে)


#চুক্তি প্রসঙ্গে ১২-১৭ ধারা।

ধারা-১২ঃ যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদায়যোগ্য/চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে। 

(৪টি ক্ষেত্রে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে)


ধারা-১৩ঃ যেসব চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে/যেক্ষেত্রে আংশিক ক্ষতিপূরণ সম্ভব। 


ধারা-১৪ঃ যেক্ষেত্রে চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট। 


ধারা-১৫ঃ যেক্ষেত্রে চুক্তির অসম্পাদিত অংশ হচ্ছে বড়।

ধারা-১৮ঃ ত্রুটিপূর্ণ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার পরবর্তী অধিকার। 

(৪টি ক্ষেত্রে)  


ধারা-১৯ঃ নিদিষ্ট ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষমতা/বিকল্প প্রতিকার।

(এই ধারায় আদালত ২ ধরনের সিন্ধান্ত দিতে পারে)


ধারা-২১ঃ যে চুক্তিসহ সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকরীকরণযোগ্য নয়/যেক্ষেত্রে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর হবে না- 

(৮টি ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করবেন না) 


ধারা-২১কঃ অনিবন্ধিত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।

(২টি ক্ষেত্রে, ২০০৪ সালের ২৭ নং আইন দ্বারা সন্নিবেশিত এবং ১লা জুলাই ২০০৫ সালে কার্যকর)


ধারা-২২ঃ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে ডিক্রি প্রদান প্রসঙ্গে ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।

(২টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন)


ধারা-২৩ঃ যে ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে/যেসকল ব্যক্তির পক্ষে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে। 

(এই ধারা অনুযায়ী ৮ ধরনের ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পেতে পারে) 


ধারা-২৪ঃ যেসকল ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পেতে পারে না/প্রতিকারের পথে ব্যক্তি প্রতিবন্ধকতা। 

(এই ধারায় ৪ ধরনের ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পেতে পারে না)


ধারা-২৭ঃ পক্ষগন ও তাদের নিকট প্রাপ্ত পরবর্তী স্বত্তাধীনে দাবিদার ব্যাক্তি এবং পক্ষসমূহের বিরুদ্ধে প্রতিকার ।

(৫ টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে)  


ধারা-৩১ঃ যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে।

(৩টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ দিতে পারে- ক)প্রতারণার মাধ্যমে দলিল সসম্পাদিত হলে, খ)ভুলভাবে দলিলটি লিপিবদ্ধ হলে, গ)পক্ষসমূহের সত্যিকার মনোভাব ভ্রান্তভাবে লিপিবদ্ধ করা হলে)

দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা দায়েরের সময়সীমা ৩ বছর। 


ধারা-৩২ঃ পক্ষসমূহের ইচ্ছা সম্বন্ধে অনুমান। 


ধারা-৩৩ঃ সংশোধন সম্বন্দীয় মূলনীতিসমূহ। 


ধারা-৩৪ঃ সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎকরণ।


ধারা-৩৫ঃ যখন চুক্তি রদ করা যায়/চুক্তি বাতিল করা যায়। 

(৩টি ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিলের মোকাদ্দমা করা যায়) 


ধারা-৩৯ঃ যখন দলিল বিলুপ্তির আদেশ প্রদান করা যেতে পারে।

( ৪টি ক্ষেত্রে দলিল বাতিলের আদেশ প্রদান করা যায়,দলিল বাতিলের মোকদ্দমা অবগতির তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে, মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফি, ইচ্ছাধীন ক্ষমতা) 


ধারা-৪০ঃ যে দলিল সমূহ আংশিকভাবে বিলুপ্ত করা যেতে পারে।

(যদি দলিলে এক বা একাধিক অধিকার থাকে তবে আদালত উপযুক্ত ক্ষেত্রে আংশিকভাবে/ বাতিল/ আংশিক বহাল রাখতে পারে) 


ধারা-৪২ঃ মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা/ঘোষনামূলক প্রতিকার।

(আইনগত পরিচয়/ সম্মতিতে সত্ত্বের অধিকার চেয়ে কোন ব্যক্তি ৪২ ধারার অধীনে ঘোষনামূলক মামলা দায়ের করতে পারে) 

৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে, ঘোষনামূলক প্রতিকারে কোর্ট ফি নির্ধারিত ৩০০ টাকা। 


ধারা-৪৩ঃ ঘোষনার ফলাফল - 

(২ ধরনের ব্যক্তদের উপর অবশ্য পালনীয় হবে- 

ক) মোকাদ্দমার পক্ষগন খ) স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিনিধি 


ধারা-৪৪ঃ রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিবেচনা।

(মোকাদ্দমার নালিশী বিষয়বস্তু সংরক্ষণ, তত্তাবধান বা পরিচালনার জন্য আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত ব্যক্তিকে বলা হয় রিসিভার)  

২ টি ক্ষেত্রে রিসিভার নিয়োগ করে থাকেন - 

ক)সম্পত্তি সংরক্ষণ বা 

খ)ডিক্রি জারি।

দেওয়ানী কার্যবিধি ৪০ নং আদেশ অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত। 

আদালতের ইচ্ছাধীন/ স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। 


ধারা-৫২ঃ নিরোধক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়।

(আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী/ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়) 

-নিষেধাজ্ঞা প্রধানত ২ প্রকার- 

আদেশমুলক

নিষেধমুলক


সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩ ধরনের নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ আছে -

ক) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 

খ) স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 

গ) বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা 


ধারা-৫৩ঃ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 


ধারা-৫৪ঃ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময় -

(৫টি ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে) 


ধারা-৫৫ঃ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ।


ধারা-৫৬ঃ নিষেধাজ্ঞা যখন প্রত্যাখ্যান করা হয়।

(১১টি ক্ষেত্রে মঞ্জুর করতে পারে না)  


ধারা-৫৭ঃ নেতিবাচক চুক্তি পালন করার জন্য নিষেধাজ্ঞা ।


বিদ্রঃ কোনো ভুল থাকলে দয়া করে সংশোধন করে নিবেন। 

#MakLawyer #KaderStrong

# The specific relief act 1877 / সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭
এটি একটি প্রতিকারমূলক বা তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)


এটি ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন


১৮৭৭ সালের ১ লা মে কার্যকর করা হয়


মোট ধারা ৫৭ টি


Dr. Whitley Stokes ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটির খসড়া প্রণয়ন করেন


২০০৪ সালে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১(ক) সর্বশেষ সংশোধন হয়, যা কার্যকর করা হয় ২০০৫ সালের ১ জুলাই।


(সংশোধনী) ২১(ক) স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি রেজিষ্ট্রেশন না হলে তা সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকর।


প্রশ্ন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কত উপায়ে দেওয়া যায়?


উ: ৫ উপায়ে 


ক। সম্পত্তির দখল গ্রহণ ও অর্পণের মাধ্যমে


খ। আইনত বাধ্য এরূপ কাজ সম্পাদনের আদেশের মাধ্যমে


গ। কোন কাজ সম্পন্ন করা হতে বিরত রাখার আদেশের মাধ্যমে


ঘ। ঘোষণামূলক ডিক্রি জারির মাধ্যমে


ঙ। রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে


বিঃ দ্রঃ এ ৫ উপায়ের মধ্যে “গ” অনুচ্ছেদটি নিষেধাত্মক প্রতিকার বাকি চারটি আদেশাত্মক প্রতিকার।


প্রশ্ন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন টি কোন আইনের অনুকরণে কে খসড়া প্রণয়ন করেন?


উ: The New York Civil Code,1862 অনকরণে Dr. whitely Stokes 1877 সালে প্রণয়ন করেন।

# Recovering possession of property (Section, 8-11)/সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার


প্রশ্ন: সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য ৮ ধারায় কয়টি ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়?


উ: ২টি , ১।স্বত্বের উপর ভিত্তি করে( a suit based on title by ownership) , ২। দখলি স্বত্বের উপর ভিত্তি করে( a suit based on possessory tittle)


প্রশ্ন: সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের জন্য ৯ ধারায় কয়টি ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়?


উ: ১টি ক্ষেত্রে। পূর্ববর্তী দখলের উপর ভিত্তি করে( a suit based on previous possession)


বিঃ দ্রঃ ভাল করে লক্ষ্য করুন ৮ ধারায় শুধুমাত্র সম্পত্তি উদ্ধার এবং ৯ ধারায় সম্পত্তির দখল উদ্ধার।


প্রশ্ন: ৮ ও ৯ ধারায় বাদীকে কি প্রমাণ করতে হবে?


উ: ৮ ধারায় বাদীকে প্রমাণ করতে হবে তার স্বত্ব(title) ছিল এবং ৯ ধারায় বাদীকে প্রমাণ করতে হবে সম্পত্তিতে বাদীর দখল ছিল কিন্তু বিবাদী তাকে বেদখল করেছে।


প্রশ্ন: ৮ এবং ৯ ধারার তামাদি মেয়াদ কত?


উ: ৮ ধারায় সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধারের তামাদি মেয়াদ ১২ বছর(তামাদি আইন অনু- ১৪২ ও ১৪৪ ), এবং ৯ ধারায় (অনু-৩) ৬ মাস।


প্রশ্ন: কোন মামলায় Ad valorem court fees দিতে হবে না ?


উ: দখল পুনরুদ্ধার


বিঃ দ্রঃ সরকার কর্তৃক সম্পত্তি হতে বেদখল হলে সে ক্ষেত্রে ৯ ধারার বিধান মতে সরকারের বিরুদ্ধে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।

# Specific performance of contract(sec 12-30)/ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন


প্রশ্ন: সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন(specific performance) কি?


উ: চুক্তিতে শর্তসমূহ যেভাবে উল্লেখ আছে বা যেভাবে কার্যকর করার বিধান চুক্তিতে উল্লেখ আছে ঠিক সেই ভাবে কার্যকর করার বিধানই সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন।


প্রশ্ন: চুক্তি ভঙ্গের জন্য সাধারণত কয় ধরনের প্রতিকার পাওয়া যায় ও কি কি?


উ: ২ ধরনের।


(১.চুক্তি সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন/specific performance of contract 


২.আর্থিক ক্ষতিপূরণ/pecuniary compensation)


প্রশ্ন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী আদালত কয়টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন?


উ:৪ টি ক্ষেত্রে।


(১। চুক্তিটি জিম্মার অর্ন্তভুক্ত হলে, ২। চুক্তির ক্ষতির মানদন্ড না থাকলে, ৩। চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে, ৪। চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়া না গেলে)


প্রশ্ন: চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মোকদ্দমায় বাঁদিকে কি কি বিষয় প্রমাণ করতে হবে?


উ: চুক্তিটি একটি বৈধ চুক্তি এবং ১২ ধারার ৪ শর্তের মধ্যে যে কোন একটি পুরণ করেছে।


প্রশ্ন: ১২ ধারায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ এর মামলায় কোর্ট ফি কত?


উ: ad volorem court fees


প্রশ্ন: চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মোকদ্দমা দায়ের তামাদির মেয়াদ কত?


উ: ১ বছর( art. 113 of limitation Act)


বিঃ দ্রঃ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য কিন্তু অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য না।


ধারা ১৯: চুক্তি ভঙ্গের জন্য বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের আদর্শসহ অতিরিক্ত হিসেবে( in addition to) ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারে বা চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতি পালনের পরিবর্তে ( in substitution to compensation) ক্ষতিপূরণের আবেদন করতে পারে


প্রশ্ন: যে সকল চুক্তি সমূহ সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে ?


উ:২১ ধারায়


প্রশ্ন: ২১ ধারায় আদালত কয়টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দিবেনা?


উ: ৮ টি ক্ষেত্রে 


(১। যে চুক্তিতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট ২। যে চুক্তি জটিল বিবরনের সমষ্টি বা ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভর ৩। চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে ৪। চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হলে ৫। যে চুক্তি ট্রাস্টিগনের ক্ষমতা বহির্ভূত হলে ৬। কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত চুক্তি ৭। চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে ৮। যে চুক্তি ক্রমাগত ৩ বছর চলে)  


 বিঃ দ্রঃ ২৩ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণীর ব্যক্তির পক্ষে যুক্তি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে এবং ২৭ ধারায় যে সকল ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে বলবৎযোগ্য এবং ২৮ ধারা অনুযায়ী যে সকল ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ যোগ্য না আলোচনা করা হয়েছে।


ধারা ২২ সুনিদিষ্ট কার্যসম্পাদনে ডিক্রি প্রদান আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা 


প্রশ্ন: ২৯ ধারা অনুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলা খারিজ হলে বাদী অবশ্যই বাড়িত হবে?


উ: ক্ষতিপূরণের মামলা করতে।

# Rectification of instruments (sec: 31 to 34)/ দলিল সংশোধন


প্রশ্ন: দলিল সংশোধন বলতে কি বুঝায়?


উ: দলিলের পক্ষসমূহের দললি সম্পাদনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কার্যকর করতে কোন দলিলের ভুল সংশোধন করা।


প্রশ্ন: ধারা ৩১ অনুযায়ী কয় ধরনের দলের সংশোধন করা যায় ও কি কি?


উ: দুই ধরনের, ১.লিখিত চুক্তি সংশোধন(Rectification of a contract in writing ) and ২.অন্যান্য লিখিত দলিল সংশোধন(Rectification of other instruments in writing)


প্রশ্ন: কয়টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ দিতে পারে?


উ: তিনটি ক্ষেত্রে।


(১। দলিলের কোন পক্ষের প্রতারণা (Fraud), ২। পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুল( mutual mistake) এবং৩। দলিলে পক্ষসমূহের দলিল সম্পাদনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণের জন্য।( ধারা ৩১)


প্রশ্ন: দলিল সংশোধনের জন্য কে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?


উ: উক্ত দলিলের পক্ষসমূহ( only by the parties) এবং তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বৈধ প্রতিনিধি (by their representatives in interest)।


প্রশ্ন: দলিল সংশোধনের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে বাদীকে কি প্রমান করতে হবে?


উ: প্রতারণা, এবং পারষ্পারিক ভুল ছিল।


প্রশ্ন: দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?


উ: ৩ বছর ( অনু: ৯৫ এবং ৯৬, তামাদি আইন ১৯০৮)।


প্রশ্ন: দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া আদালতের জন্য?


উ: বিবেচনামূলক ক্ষমতা( discretionary power)


ধারা ৩৪- একটি দলিল সংশোধনের মোকদ্দমায় আদালত সংশোধনের আদেশ প্রদান করার পরে সংশোধিত বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে আদালতের মাধ্যমে কার্যকর করা যেতে পারে।


বিঃ দ্রঃ আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ দিবে না যেক্ষেত্রে সৎ বিশ্বাসী(good faith) এবং মূল্যের বিনিময়ে( For value)অধিকার অর্জন করেছে এমন কোনো তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুন্ন করে।

# Rescission of a Contract (Sec 35-38)/ চুক্তি রদ বা খারিজ


প্রশ্ন : কয়টি ক্ষেত্রে বিচারপূর্ব চুক্তি রদ করা যায় ?


উ : ৩ টি ক্ষেত্রে


(১। চুক্তিটি বাতিলযোগ্য বা বাদী কর্তৃক সমাপনীয় হলে ২। চুক্তিটি অবৈধ হলে বা বিবাদীই অধিক দায়ী হলে ৩। যেক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশিত মূল্য পরিশোধে ব্যর্থ হলে।)

# Cancellation of instrument(sec:39 to 41) / দলিল বাতিল 


প্রশ্ন: কয়টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের আদেশ দিতে পারে?


উ: ২ টি ক্ষেত্রে।


(১। দলিলটির লিখিত এবং বাতিল(void)বা বাতিলযোগ্য(voidable) হলে, ২। দলিলটি বাদীর জন্য ক্ষতিকর হলে।[ধারা ৩৯])


প্রশ্ন: দলিল বাতিলের মামলায় আদালত কোন ধরনের সিদ্ধান্ত দিতে পারে?


উ: ১.দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য হিসেবে নিষ্পত্তি করতে পারে (adjudging the instrument as void or voidable)


২.দলিলটি অর্পণের আদেশ দিতে পারেন(ordering it to be delivered up)


৩.দলিলটি বাতিল করতে পারে( cancelled the instrument) [ধারা ৩৯]


প্রশ্ন: কে দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?


উ: ১.দলিলের পক্ষ,


২.যে কোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য


৩. যে ব্যক্তি উক্ত দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।


প্রশ্ন: ৩৯ ধারা অনুযায়ী দলিল বাতিলের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?


উ: ৩ বছর (limitation Act, 1908, art 91)


প্রশ্ন: দলিল বাতিলের মোকদ্দমার কোর্ট ফি কত?


উ: এ্যাড ভোলোরাম কোর্ট ফি।


প্রশ্ন: কোন মামলায় আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য?


উ: দলিল বাতিলের মোকদ্দমার ।(ধারা ৩৯)


ব্যাখ্যা: দলিল যদি রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হয়ে থাকে এবং যদি দলিলটি বাতিল করা হয়, তাহলে আদালত তার ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসের নিকট পাঠাবে যার অফিসে দলিলটি রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল।


প্রশ্ন: যদি দলিলে এক বা একাধিক অধিকার থাকে তবে আদালত কি আদেশ দিতে পারে?


উ: উপযুক্ত ক্ষেত্রে আংশিক বাতিল এবং আংশিক বহাল রাখতে পারে (ধারা ৪০) ।


ধারা ৪১ বলা হয়েছে- বিশেষ ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি অপরপক্ষকে ন্যায় বিচারের প্রয়োজন অনুসারে আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।


বিঃ দ্রঃ দলিল বাতিল করা আদালতের স্বেচ্ছামূলক ক্ষমতা (discretionary power)

# Declaratory relief(section 42 and 43 )/ ঘোষণামূলক ডিক্রি


[Key words: Declaratory decree which creates no new rights ,it only declares what was plaintiff’s right before]


প্রশ্ন: কয়টি বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য মামলা দায়ের করা যায়?


উ: ২টি


(১।বাদীর আইনগত পরিচয়ের জন্য এবং


২।সম্পত্তিতে বাদীর কোন অধিকার বিষয়ে)


প্রশ্ন: শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মামলার জন্য নির্ধারিত কোর্ট ফি কত?


উ:৩০০ টাকা


প্রশ্ন: আনুষঙ্গিক অধিকারসহ(further relief)ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য কোর্ট ফি কত?


উ: এ্যাডভোলেরাম কোর্ট ফি


প্রশ্ন: কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত একটি ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে যদি সম্পত্তিতে তার -?


উ:একচ্ছত্র দখল থাকে।


প্রশ্ন: কোন ডিক্রি কার্যকরের জন্য “জারি মামলা” করার প্রয়োজন নেই?


উ:ঘোষনামুলক ডিক্রি


প্রশ্ন: ঘোষণামূলক ডিক্রি মঞ্জুর করা বা প্রত্যাখ্যান করা আদালতের জন্য?


উ: বিবেচনামুলক( discretionary)


প্রশ্ন: যে ক্ষেত্রে বাদী শুধুমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করতে সক্ষম ছিল কিন্তু করেননি সে ক্ষেত্রে..?


উ: আদালত কোন ঘোষণামূলক ডিক্রি দিবে না।


প্রশ্ন: ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য মামলা রুজু করার তামাদি মেয়াদ?


উ: ৬ বছর(sec:120, limitation act ,1908)

# Appointment of Receiver Sec: 44/ তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ


ধারা ৪৪ আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।


বিঃ দ্রঃ রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত পদ্ধতি বলা আছে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ১-৫)

# Injunctions(sections 52-57)/ নিষেধাজ্ঞা


প্রশ্ন : নিষেধাজ্ঞা কি?


উ: নিষেধাজ্ঞা হল এমন এক ধরনের বিচারিক পদ্ধতি বা আদেশ যার মাধ্যমে মামলার কোন পক্ষকে কোন কার্য করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় অথবা কোন কার্য করা থেকে বিরত থাকার আদেশ দেওয়া হয়।


প্রশ্ন: আদালত নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার(preventive relief) কিভাবে মঞ্জুর করে?


উ: নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে(স্থায়ী ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, ধারা ৫২)


প্রশ্ন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কয় ধরনের নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে ও কি কি?


উ:৩ ধরণের। স্থায়ী(temporary),অস্থায়ী(perpetual) এবং বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা(mandatory)।


প্রশ্ন:অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কি?


উ: অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমন নিষেধাজ্ঞা যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে।(ধারা ৫৩)


প্রশ্ন:আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মোকদ্দমার কখন মঞ্জুর করে?


উ: মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়(at any period of suit)(ধারা ৫৩)


প্রশ্ন: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কি?


উ: যে নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমার শুনানির পর মামলার গুনাগুনের উপর ভিত্তি করে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারা মঞ্জুর করা হয়, তাকে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে। (ধারা ৫৩)


প্রশ্ন: আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মোকদ্দমায় কখন মঞ্জুর মঞ্জুর করে?


উ:মোকদ্দমার শুনানীর পর(at the hearing of suit)(ধারা ৫৩)


বি:দ্র: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা পরিচালিত হয় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন দ্বারা কিন্তু অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পরিচালিত হয় দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ দ্বারা.


প্রশ্ন: চিরস্থায়ী মোকদ্দমা দায়ের তামাদির মেয়াদ কত?


উ: ছয় বছর।


প্রশ্ন: নিরোধমূলক প্রতিকার(preventive relief) মঞ্জুর করে আদালত এর ?


উ: বিবেচনামূলক ক্ষমতা(discretionary power (ধারা ৫২)


প্রশ্ন:অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পূর্বশর্তগুলো কি ?


উ: prima facie case, (আপতঃদৃষ্ট মামলা) irreparable lose(অপূরনীয় ক্ষতি) and balance of convenience and inconvenience (সুবিধা অসুবিধার ভারসম্য)


প্রশ্ন: আদালত কখন চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন ?


উ: ৫ টি ক্ষেত্রে।


(১। বিবাদী বাদীর সম্পত্তির জিম্মাদার ২। ক্ষতির মানদন্ড না থাকলে ৩। ক্ষতির পরিমান পর্যাপ্ত না হলে ৪। ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভাবনা না থাকলে ৫। বিচারিক কার্যধারা বহুত্ব নিবারনের ক্ষেত্রে)


ধারা ৫৫ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার কথা বর্ণনা করা আছে।


প্রশ্ন: কখন নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না?


উ: ৫৬ ধারায় ১১ টি ক্ষেত্রে। (১১ টি ক্ষেত্র ভালোভাবে পড়তে হবে গুরুত্বপূর্ণ)


৫৭ ধারায় নেতিবাচক চুক্তি পালনে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বলা আছে। 


যে চুক্তি ব্যক্তির গুনাগুনের উপর নির্ভর এমন চুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর আদেশ দেয়া যাবে না, তবে শর্ত হচ্ছে চুক্তিতে যদি শর্ত থাকে চুক্তিতে থাকাকালীন সময়ে অন্য কোথাও ঐরূপ কার্য করতে পারবে না । সেক্ষেত্রে আদালত ঐরূপ কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ দিতে পারবেন।


উদাহরণ ভালোভাবে দেখতে হবে তাহলে বিষয়টি পরিস্কারভাবে বুজতে পারবেন।


ধন্যবাদ সবাইকে


অ্যাডভোকেট নাজমুল হাসান


জেলা ও দায়রা জজ আদলত, ঢাকা




0 মন্তব্যসমূহ

Thanks

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Thanks

Post a Comment (0)

নবীনতর পূর্বতন