নিচে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩–এর ধারাসমূহ ধারাবাহিকভাবে (সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ) উপস্থাপন করা হলো—
🏛️ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ – ধারাসমূহ
📘 প্রারম্ভিক ধারা
ধারা ১ – সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
আইনের নাম, কার্যকারিতা শুরুর তারিখ ও প্রযোজ্যতার ক্ষেত্র নির্ধারণ।
ধারা ২ – সংজ্ঞা
“ভূমি”, “দখল”, “জাল দলিল”, “প্রতারণা”, “আদালত” ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ শব্দের ব্যাখ্যা।
ধারা ৩ – আইনের প্রাধান্য
অন্য কোনো আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হলে এই আইনের বিধান কার্যকর হবে।
⚖️ অপরাধ ও দণ্ড সংক্রান্ত ধারা
ধারা ৪ – ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড
ভূমি ক্রয়-বিক্রয় বা হস্তান্তরে প্রতারণা করলে শাস্তির বিধান।
ধারা ৫ – ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড
ভুয়া দলিল, জাল কাগজপত্র বা স্বাক্ষরের মাধ্যমে জমি আত্মসাৎ করলে কঠোর দণ্ড।
ধারা ৬ – ভূমি বিষয়ক প্রতারণা ও জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা
এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান।
ধারা ৭ – অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দণ্ড
জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে জমি দখল করলে শাস্তি।
ধারা ৮ – অবৈধভাবে দখলকৃত ভূমির দখল পুনরুদ্ধার
ভুক্তভোগী ব্যক্তি আদালতের মাধ্যমে দখল পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।
ধারা ৯ – বিক্রিত ভূমির দখল হস্তান্তর না করার দণ্ড
ক্রেতার কাছে দখল বুঝিয়ে না দিলে আইনগত ব্যবস্থা।
ধারা ১০ – সীমানা/ভূমির ক্ষতিসাধনের দণ্ড
সীমানা চিহ্ন নষ্ট বা পরিবর্তন করলে শাস্তির বিধান।
🏢 বিচার ও প্রশাসনিক ধারা
ধারা ১১ – বিশেষ আদালত গঠন
ভূমি অপরাধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ আদালত প্রতিষ্ঠা।
ধারা ১২ – অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিন
কোন অপরাধ আমলযোগ্য/অজামিনযোগ্য হবে তা নির্ধারণ।
ধারা ১৩ – তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া
তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ, চার্জশিট দাখিল ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বিধান।
ধারা ১৪ – আপিলের বিধান
রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আপিলের সুযোগ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks